সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৫

হিসাব বিজ্ঞানঃ পর্ব(৪) একটি হিসাবের বিভিন্ন নাম

গত পর্ব গুলোতে আমরা সম্পদ,দায়,আয়,ব্যয় নিয়ে
বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আজ আমরা আলোচনা
করব একটি হিসাবের বিভিন্ন নাম নিয়ে।

১) দেনাদার- বাকীতে পন্য বিক্রয় করলে দেনাদার
সৃষ্টি হয়। এটি একটি সম্পদ।এই দেনাদারের অন্যান্য
নাম হল- প্রাপ্য হিসাব,বুকডেটস,পুস্তক ঋন,বিক্রয়
খতিয়ানের জের,
২)পাওনাদার-বাকীতে পন্য ক্রয় করার ফলে
পাওনাদার সৃষ্টি হয়। এটি একটি দায়। এই
পাওনাদারের অন্যান্য নাম হল- প্রদেয় হিসাব, ক্রয়
খতিয়ানের জের।
৩)বকেয়া(আয়) - কোন আয় আদায়ে বাকী থাকলে
সেটা বকেয়া আয় হয়। এটি একটি সম্পদ ।এর
অন্যান্য নাম হল - পাওনা,অনাদায়ী, প্রাপ্য।
৪)বকেয়া (ব্যয়) - কোন ব্যয় প্রদান/পরিশোধ করতে
বাকী থাকলে সেটা বকেয়া ব্যয় হয় এটি একটি দায়।
এর অন্যান্য নাম হল-দেনা, প্রদেয়,অপরিশোধিত,
অপ্রদত্ত।
৫)ঋন- কারবারের টাকার প্রয়োজন হওয়ায় অনেক
সময় কারবার ব্যাংক বা অন্য কোন ব্যক্তি/
প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে ঋন নিয়ে থাকে এই ঋন
কারবারের কাছে দির্ঘ মেয়াদী দায়। এর অন্যান্য নাম
হল- বন্ধকী ঋন, কর্জ গ্রহন, ব্যাংক ঋন, লগ্নী
( ক্রেডিট পাশের), %ঋন, %ব্যাংক ঋন।
৬) বিনিয়োগ- মুনাফার আশায় কারবার অন্য কোন
কারবার/প্রতিষ্ঠানের নিকট টাকা খাটালে তা
বিনিয়োগ হয় এটি একধরনের সম্পদ। এর অন্যান্য
নাম হল-% বিনিয়োগ,প্রদত্ত ঋন, প্রদত্ত কর্জ,
লগ্নি( ডেবিট পাশের)% লগ্নি, সরকারী বন্ড ক্রয়,
সঞ্চয় পত্র ক্রয়, ডিবেঞ্চার স্টক, ঋনপত্র ক্রয়
৭)বিজ্ঞাপন - ব্যবসায়ের পন্য বা সেবা দ্রুত
বিক্রয়ের লক্ষে কিংবা ক্রেতাদের পন্যের জ্ঞান
সংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতা দূর করতে বিজ্ঞাপন দেয়া
হয়। এটি এক ধরনের ব্যয়। এর অন্যান্য নাম হল-
নমুনা পন্য বিতরণ ,বিনামুল্যে পন্য
বিতরণ,ক্রেতাদের মাঝে পন্য বিতরণ,প্রচার ব্যয়,
৮) মূলধন- মালিক কর্তৃক ব্যাবসায়ে আনিত অর্থ
হল মূলধন। এটি মালিকানা স্বত্ব বৃদ্ধি করে । এটিকে
অন্তঃ দায় ও বলা হয় ।এর অন্যান্য নাম হল-
অতিরিক্ত মূলধন আনয়ন, মালিকের ব্যাক্তি গত
সম্পত্তি বিক্রয় করে টাকা কারবারে আনয়ন,
মালিকের ব্যাক্তি গত ব্যাবহৃত সম্পদ ব্যাবসায়ে
আনয়ন।
৯)উত্তোলন -এটি মূলধনের ঠিক বিপরীত অর্থাৎ
মালিক যদি ব্যবসায় হতে টাকা নিয়ে নিজ প্রয়োজনে
ব্যয় করে তাহলে তাকে উত্তোলন বলে। এটি
মালিকানা স্বত্ব হ্রাস করে।এর অন্যান্য নাম হল-
পন্য উত্তোলন, নগদ উত্তোলন, জীবন বিমার
প্রিমিয়াম প্রদান, আয় কর প্রদান( এক মালিকানা
কারবারের ক্ষেত্রে), ব্যাবসায় হতে টাকা নিয়ে
ব্যাক্তিগত কাজে ব্যবহার যেমন- ছেলের স্কুলের
বেতন, স্ত্রীর অলংকার ক্রয় ইত্যাদি।
১০) কুঋন -দেনাদারের দের মধ্যে যদি কিছু অংশ
আদায় না হয় তবে  অই অংশ কে কুঋন বলা হয়। এটি
এক ধরনের ব্যয়। এর অন্যান্য নাম  হল- মন্দঋন,
অনাদায়ী পাওনা।
১১) মনিহারি- ব্যবসায়ের অফিস পরিচালনা করতে
হলে বিভিন্ন মনিহারি (যেমন- পিন, স্ট্যাপলার,সুতা,
কলম, খাতা,কালি,কার্বন, কাগজ, আঠা, ইত্যাদি)
প্রয়োজন হয়। মনিহারি এক ধরনের ব্যয় এর
অন্যান্য নাম হল- ছাপা ও মনিহারি, সাপ্লাইজ,
ষ্টেশনারী,সম্ভার,
১২) প্রদত্ত বাট্রা - দেনাদার দের কাছ থেকে টাকা
দ্রুত আদায়ের লক্ষে কারবার কিছু টাকা ছাড় দেয়
এই ছাড় কে নগদ বাট্রা বলে এটি এক ধরনের ব্যয়।
এর অন্যান্য নাম হল - বরাদ্ধ কৃত বাট্রা, বাট্রা
( ডেবিট পাশের) মঞ্জুরিকৃত বাট্রা।

হিসাব বিজ্ঞানঃ - হিসাব সম্পর্কিত ধারনা ও ডেবিট ক্রেডিট নির্নয়

আজ যেহেতু আমাদের ১ম পর্ব তাই
আজ আমরা
হিসাবের মৌলিক বিষয় গুলো আলোচনা করব এবং
ডেবিট -ক্রেডিট নির্নয় করা
শিখব।

হিসাব কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়- ১)
আধুনিক পদ্ধতি ২) সনাতন পদ্ধতি
আজ আমি শুধু আধুনিক পদ্ধতিতে হিসাবের
আলোচনা করব। আধুনিক পদ্ধতিতে হিসাব ৬
প্রকার
যথা - ১- সম্পত্তি হিসাব(Asset)=A
২- দায় হিসাব(Liabilities)= L
৩-মূলধন হিসাব(Capital) =C
৪-আয় হিসাব(Revenue)=R
৫-ব্যয়/খরচ হিসাব( Expense)=E
৬- উত্তোলন হিসাব (Drawings)= D
আধুনিক পদ্ধতিতে হিসাবের মূল সূত্র হল- A=L
+OE
এখানে OE (Owner's Equity)= মালিকানা স্বত্ব ।
মালিকান স্বত্ব হচ্ছে মালিকের অধিকার বা স্বত্ব।
এই মালিকানা স্বত্বের উপাদান
৪টি যথা- মূলধন, আয়, ব্যয় উত্তোলন অর্থাৎ C,
R, E , D
এখানে C এবং R মালিকানা স্বত্ব বৃদ্ধি করে। E
এবং D মালিকানা স্বত্ব হ্রাস করে সুতরাং OE= C
+R-E-D। তাহলে আমাদের মূল
সূত্রটি ব্যাখ্যা করলে দাঁড়ায় A=L+C+R-E-D বা,
A+E+D=L+C+R
লক্ষ করলে দেখা যাবে সম্পদ(A), ব্যয়(E)
উত্তোলন(D) এক পাশে আর দায়(L), মূলধন(C)
এবং আয় (R) অন্য পাশে। এই টুকু
ভালো ভাবে খেয়াল করতে হবে । ডেবিট যেহেতু বাম
পাশের হিসাব তাই বাম পাশের গুলো অর্থাৎ সম্পদ
(A), ব্যয়(E), উত্তোলন(D)
বৃদ্ধি পেলে ডেবিট হ্রাস পেলে ক্রেডিট । ক্রেডিট
যেহেতু ডান পাশের হিসাব তাই ডান পাশের গুলো
অর্থাৎ দায়(L), মূলধন(C) এবং
আয় (R) বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট হ্রাস পেলে ডেবিট।
এখন আমরা জানব কোনটা কোন হিসাব।
১- সম্পত্তি হিসাব(Asset)=A= নগদ, নগদ তহবিল/
নগদ উদ্ধৃত্ত, ব্যাংক জমা, প্রাপ্য বিল, বিবিধ
দেনাদার , মজুদপন্য/সমাপনী মজুদ
পন্য, বিনিয়োগ, প্যাটেন্ট, খুচরা যন্ত্রাংশ, মোটর
গাড়ী, আসবাবপত্র, কলকব্জা ও যন্ত্রপাতি, ইজারা
সম্পত্তি, নিস্কর সম্পত্তি, ভুমি ও দালান
কোঠা, জমি বা ভুমি, সুনাম, ইমারত, প্লট, ভুমি
উন্নয়ন, ট্রেডমার্ক, অফিসসরঞ্জাম, বৈদ্যুতিক
সরঞ্জাম, সঞ্চয় পত্র, অব্যাবহৃ মনিহারি,
হাতে নগদ, প্রাথমিক খরচাবলী, বিলম্বিত
বিজ্ঞাপন, শেয়ার অবলেখকের ব্যয়/ শেয়ার দালালি
খরচ, ডিবেঞ্চার অবলেখন ব্যয়, ঋনপত্র
অবহার/ বাট্রা,পাওনাদার বাট্রা সঞ্চিতি,
প্রদেয়বিল বাট্রা সঞ্চিতি,  যাবতীয় অগ্রিম ব্যয়
যেমন- অগ্রিম বাড়ি ভাড়া, অগ্রিম বিমা সেলামী,
অগ্রিম কর ইত্যাদি যাবতীয় বকেয়া ব্যয় যেমন-
বকেয়া/অনাদায়ী বিনিয়োগের সুদ, বকেয়া প্রাপ্ত
ভাড়া, বকেয়া সঞ্চয় পত্রের সুদ,
এছাড়া কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট প্রাপ্য/
পাওনা বোঝালে সেটা সম্পত্তি হবে।
২- দায় হিসাব(Liabilities)= L= ব্যাংক
জমাতিরিক্ত, বিবিধ পাওনাদার, প্রদেয় বিল, বন্ধকী
ঋন/ ঋন/ ব্যাংক ঋন/ %ঋন/
%ব্যাংক ঋন, সঞ্চিতি তহবিল, ব্যাংক ওডি( ওভার
ড্রাফ্ট) , সাধারন সঞ্চিতি, শেয়ার অধিহার, শেয়ার
প্রিমিয়াম, প্রতিপুরক তহবিল,
সিংকিং ফ্রান্ড, লভ্যাংশ সমতা করন তহবিল,
ডিবেঞ্চার, অগ্রিম তলব, দাবিহীন লভ্যাংশ, আয়কর
সঞ্চিতি, পেনশন তহবিল, ভবিষ্যৎ
তহবিল, কর্মচারী কল্যান তহবিল, বিমা তহবিল,
শিক্ষা তহবিল, ত্রান ও দুর্যোগ তহবিল, বিনিয়োগ
হ্রাস বৃদ্ধি জনিত তহবিল, অবচয়
সঞ্ছিতি তহবিল, যাবতীয় বকেয়া খরচ/ ব্যয় সমূহ
যেমন- বকেয়া বেতন, বকেয়া মজুরি, বকেয়া ভাড়া,
বকেয়া ঋনের সুদ, বকেয়া ব্যাংক
জমাতিরিক্তের সুদ, যাবতীয় ইত্যাদি, অগ্রিম আয়
সমূহ যেমন- অগ্রিম শিক্ষানবিশ সেলামী, অগ্রিম
বাড়ি ভাড়া প্রাপ্ত ইত্যাদি, এছাড়া
কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট প্রদেয়/ দেনা
বোঝালে সেটা দায় হবে।
৩-মূলধন হিসাব(Capital) =C= প্রারম্ভিক মূলধন,
অতিরিক্ত মূলধন, মালিক কর্তৃক কোন অর্থ বা
সম্পত্তি ব্যাবসায়ে আনয়ন( নিজ
তহবিল হতে), মূলধনের সুদ সহ মূলধন।
৪-আয় হিসাব(Revenue)=R= বিক্রয়, ক্রয়ের উপর
বাট্রা, ভাড়া প্রাপ্তি, বিনিয়োগের সুদ,
সঞ্চয়পত্রের সুদ, উত্তোলনের সুদ, প্রদত্ত
ঋনের সুদ, কমিশন প্রাপ্তি, শিক্ষানবিশ সেলামী,
অনাদায়ী পাওনা আদায়, আমানতের সুদ, প্রাপ্ত
বাট্রা(নগদ), ভাড়া আদায়, সম্পত্তি
বিক্রয়ে মুনাফা, চালানী কারবারের লাভ, ব্যাংক জমার
সুদ, বিবিধ প্রাপ্তি, কুঋন আদায়, পুরাতন কুঋন/
অনাদায়ী পাওনা সঞ্চিতি, শেয়ার
হস্তান্তর ফি।
৫-ব্যয়/খরচ হিসাব( Expense)=E= ক্রয়, বিক্রয়ের
উপর বাট্রা, ক্রয় পরিবহন/আন্তঃপরিবহন,
অন্তর্মুখী পরিবহন, পরিবহন, বিক্রয়
পরিবহন/ বহিঃপরিবহন, শুল্ক, আমদানি শুল্ক, জাহাজ
ভাড়া, মাল খালাসের খরচ, ডকচার্জ, গুদাম ভাড়া,
মজুরি, গ্যাস, জ্বালানি, ও
বিদ্যুৎ , আলো ও উত্তাপ, কয়লা ও কোক, পানি ও
বিদ্যুৎ ,বিশেষ প্যাকিং খরচ, কারখানা খরচ, কুলি
খরচ, নগর শুল্ক , জলযান ভাড়া,
মজুরি ও বেতন, বেতন ও মজুরি, বেতন, ভাড়া,
খাজনা ও কর, বিমা, বিমা সেলামী, ছাপা ও মনিহারি,
ডাক ও তার, বৈদ্যুতিক খরচ,
টেলিফোন খরচ, পরিচালকের ফি, অফিস
ব্যবস্থাপকের ফি, মেরামত ও নবায়ন, আইন খরচ,
নিরিক্ষা ফি , যাতায়াত খরচ, সাধারন
খরচ, অফিস খরচ, বিবিধ খরচ, কারবার খরচ,
শিক্ষানবিশ খরচ, রপ্তানি শুল্ক, বিজ্ঞাপন, ভ্রমন
কারীর বেতন ও কমিশন,  বিক্রয়
ব্যবস্থাপকের বেতন, কুঋন/ অনাদায়ী দেনা/
অনাদায়ী পাওনা, বাট্রা /প্রদত্ত বাট্রা, মঞ্জুরি
কৃত বাট্রা(নগদ), কমিশন/প্রদত্ত কমিশন/
মঞ্জুরিকৃত কমিশন, নমুনা পন্য বিতরন, ব্যাংক
জমাতিরিক্তের সুদ, সম্পত্তির অবলোপন,
সম্পত্তির অবচয়, ছিনতাই জনিত ক্ষতি, দুর্ঘটনা
জনিত ক্ষতি , সম্পত্তি বিক্রয় জনিত ক্ষতি, বিবিধ
ক্ষতি ইত্যাদি সহ যাবতীয় ক্ষতি।
৬- উত্তোলন হিসাব (Drawings)= D= উত্তোলন,
নগদ উত্তোলন, পন্য উত্তোলন, নিজ প্রয়োজনে
পন্য উত্তোলন, আয়কর, জীবন
বিমার প্রিমিয়াম/ সেলামী প্রদান,মালিকের
ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে ব্যবসায় হতে কোন কিছু
উত্তোলন ।
উপরোক্ত বিষয় গুলো যদি ভালো ভাবে আয়ত্ব
করা যায় তাহলে ডেবিট ক্রেডিট নির্নয় করতে
সমস্যা হওয়ার কথা নয়। নিচে আমরা
একটু অনুশীলন করি-
যেমন, নগদে পন্য ক্রয় এখানে ক্রয় হিসাব ডেবিট
আর নগদান হিসাব ক্রেডিট। কারন- ক্রয় এক
ধরনের ব্যয়, এখানে ক্রয় বৃদ্ধি
পেয়েছে। আমরা জানি ব্যয় বৃদ্ধি পেলে ডেবিট, তাই
ক্রয় হিসাব ডেবিট,। অপর দিকে নগদ একটি সম্পদ ,
এখানে নগদ হ্রাস পেয়েছে
আমরা জানি সম্পদ হ্রাস পেলে ক্রেডিট তাই নগদান
হিসাব ক্রেডিট। আশা করা যায় এভাবে আরও
আয়ত্ব করলে আর সমস্যা হওয়ার
কথা নয়।

{ইংরেজি প্রথম পত্র}

[ প্যাসেজের লাইন উত্তরে হুবহু লেখা যাবে না]

{ইংরেজি প্রথম পত্র}

প্রশ্নে দুটি প্যাসেজ থাকে।প্রথম প্যাসেজ থাকে -
Multiple,Choice Options,True/False,Fill in the
gaps with Correct form words,listing.
১) ভালো শব্দ ভান্ডার ও বাক্যের সঙ্গে মিল রেখে
শব্দ বাছাই করতে পারলে Multiple,Choice
Options,অংশে ভালো করা যাবে।
২) True/False উত্তর করার সময় প্রশ্নের
বাক্যগুলো ভালো করে খেয়াল করবে।
৩) Fill in the gaps with Correct form words,-
এ উত্তরে শব্দের form এর সঙ্গে সঠিক
preposition বসাতে হবে।
৪) listing এর ক্ষেত্রে তথ্য সংক্ষেপে পয়েন্ট
করে লিখতে হবে।
দ্বিতীয় প্যাসেজ থেকে উত্তর করার সময় প্যাসেজ
থেকে হুবহু কপি করবে না। নিজের ভাষায় লেখার
চেষ্টা করবে।
৫) Fill in the blanks without clues - (এ নম্বর
প্রশ্নের উত্তর) প্যাসেজের তথ্যের সঙ্গে মিল
রেখে উত্তর লিখবে।
৬) Summarizing (প্রশ্ন নম্বর ৭) একটি
চ্যালেঞ্জিং আইটেম,প্যাসেজ থেকে কপি করলে
এখানেও নম্বর কমবে।
৭) Flow-Chart ( প্রশ্ন নম্বর ৮) উত্তর করার
ক্ষেত্রে বক্সের মধ্যে পূর্ণ
বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে Phrase
ব্যবহার করতে হবে।
৮) ৯ ও ১০ নম্বর প্রশ্নের (Full in the blanks
with and without clues) উত্তর করার আগে
পুরো প্যাসেজ ভালো করে পড়ে নেবে। অর্থ বুঝে
সঠিক শব্দ বসাতে হবে।Column Matching চার
কলামে হওয়ায় বাক্যাংশের শেষ ও শুরু সাবধানে
মিলিয়ে নেবে। এ ক্ষেত্রে
Subject,verb,object,extension ইত্যাদি মিলিয়ে
উত্তর করতে হবে।
৯) Rearranging -এ বাক্যগুলো ভালো করে পড়ে
নেবে।এদের ক্রম পেনসিল দিয়ে খাতায় লিখে রাখলে
ভুল হয়য়ার আশঙ্কা কম।

আপনিকি চাকুরী খুজছেন??? কম্পিউটার সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে রাখুন, লিখিত কিংবা ভাইবা পরীক্ষায় কাজে লাগতে পারে ।

আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহ
মাতুল্লাহ । সবাই কেমন আছেন । আশা
করি আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো ।
যে যে অবস্থানে আছেন, নিজের
অবস্থানকে আরো সুদৃঢ় করতে
চেষ্টা অব্যাহত যুগ ‍যুগ থেকে
ছিলো এবং থাকবে ।
এরই ধারাবাহিকতায় অনেকে চাকুরীর
জন্য এপ্লাই করে যাচ্ছেন
প্রতিনিয়ত ।
এ পর্যায়ে আমি কিছু কম্পিউটার
সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর
আপনাদের মাঝে তুলে ধরবো এবং
পর্যায়ক্রমে এটি অব্যাহত রাখবো ।
এসব বিষয় আপনার চাকুরীর জন্য
লিখিত ও ভাইবা উভয় ক্ষেত্রে
কাজে আসতে পারে ।
তাই জানা থাকলে মন্দ হয় না । চলুন
শুরু করি...
১। কম্পিউটারের জনক কে?
চার্লস ব্যাবেজ।
২। বাংলাদেশে দ্বিতীয় কম্পিউটার
স্থাপিত হয় কত সালে।
১৯৬৫ সালে ।
৩। প্রযুক্তি ও গঠনগত দিক থেকে
কম্পিউটার কয়  প্রকার।
৩ প্রকার ।
৪। হাই ব্রিড কম্পিউটার
কোথায় ব্যবহার করা হয়-
হসপিটালের আইসিইউতে।
৫। কম্পিউটার এর ডিভাইস গুলিকে
প্রধানত কয় অংশে ভাগ করা যায়।
৩ অংশে ।
৬। কম্পিউটারের মেজর
কম্পোনেন্ট কয়টি ও কি কি ?
৩টি । ক) ইনপুট ডিভাইস খ) আউটপুট
ডিভাইস গ) সিপিইউ / সিস্টেম ইউনিট
৭। পেরিফেরালস ডিভািইস কাকে
বলে?
সিপিইউ বা সিস্টেম ইউনিটের সাথে
সংযুক্ত সকল ডিভাইসকে
পেরিফেরাল ডিভাইস বলা হয় । ইনপুট ও
আউটপুট ডিভাইসগুলো পেরিফেরাল
ডিভাইস ।
৮। কয়েকটি ইনপুট ডিভাইস এর নাম-
ক) মাউস খ) কীবোর্ড গ) স্ক্যানার
ঘ) জয়স্টিক
৯। কয়েকটি আউটপুট ডিভাইস এর নাম-
ক) মনিটর খ) স্পীকার গ) প্রিন্টার ঘ)
প্লটার
১০। সিপিইউ এর অভ্যন্তরীণ
কম্পোনেন্ট বা পার্টস সমূহ-
ক) মাদারবোর্ড খ) প্রসেসর গ) র্যাম
ঘ) সিডি / ডিভিডি ড্রাইভ ঙ) হীট
সিঙ্ক চ) কুলিং ফ্যান
ছ) এজিপি স্লট জ) পিসিআই স্লট ঝ)
বায়োস ঞ) পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট চ)
ক্যাসিং
১১। মেমরী ডিভাইস কাকে বলে-
যে সকল ডিভাইস এর মাধ্যমে তথ্য
সংরক্ষণ করে রাখা যায়
সেগুলোকে মেমরী ডিভাইস বলা হয় ।
১২। মেমরী ডিভাইস কয় ধরনের ও কি কি-
২ ধরনের ।
ক) প্রাইমারী মেমরী / অস্থায়ী
মেমরী খ) সেকেন্ডারী মেমরী /
স্থায়ী মেমরী
১৩। প্রাইমারী মেমরী বা অস্থায়ী
মেমরীর উদাহরণ দাও
ক) র্যাম (র্যানডম এক্সেস মেমরী)
১৪। কয়েকটি সেকেন্ডারী মেমরী
বা স্থায়ী মেমরীর নাম-
ক) হার্ড ডিস্ক খ) সিডি / ডিভিডি গ)
ফ্ল্যাশ মেমরী
১৫। অপারেটিং সিস্টেম কাকে
বলে?
অপারেটিং সিস্টেম এমন একটি
প্রোগ্রামের সমষ্টি যেটি
কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং
সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সাধন বা
যোগসূত্র তৈরী করে ।
১৬।  কয়েকটি অপারেটিং সিস্টেম এর
নাম লিখ-
ক) উইন্ডোজ খ) লিনাক্স গ) নোভেল
নেটওয়্যার
১৭। কয়েকটি উইন্ডোজ অপারেটিং
সিস্টেম এর নাম বল-
ক) মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ২০০০ খ)
মাইক্রোসফট উইন্ডোজ এক্সপি
গ) মাইক্রোসফট উইন্ডোজ সেভেন ঘ)
মাইক্রোসফট উইন্ডোজ এইট
১৮। মাইক্রোসফট অফিস কি?
মাইক্রোসফট অফিস মাইক্রোসফটের
একটি এপ্লিকেশন প্রোগ্রাম যার
মাধ্যমে চিঠিপত্র, হিসাব নিকাশ,
ডাটাবেস ও প্রেজেন্টেশনসহ
যাবতীয় অফিসিয়াল কাজ করা যায় ।
১৯। মাইক্রোসফট অফিস এর কয়েকটি
প্রোগ্রাম এর নাম বল-
ক) মাইক্রোসফট ওয়ার্ড খ)
মাইক্রোসফট এক্সেল
গ) মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট ঘ)
মাইক্রোসফট ফ্রন্টপেজ
২০। ইনট্রানেট এবং ইন্টারনেট বলতে
কি বুঝ?
কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানে
তৈরী করা অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক
হচ্ছে ইনট্রানেট ।
বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত কম্পিউটার
সমূহের মধ্যে তৈরী করা
নেটওয়ার্ক হচ্ছে ইন্টারনেট ।
২১। কয়েকটি ওয়েবসাইটের ভাষা
উল্লেখ কর-
এইচটিএমএল, পিএইচপি, এএসপিডটনেট
২২। কয়েকটি ইন্টারনেট ব্রাউজার এর
নাম-মজিলা ফায়ারফক্স, গুগল
ক্রোম, ওপেরা
২৩। ইমেইল এড্রেস ডোমেইন নেম এর
সাথে যে চিহ্নটি ব্যবহৃত হয় সেটি
লিখ: @
২৪।  মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কত
সংখ্যা পর্যন্ত ফন্ট বড় করা যায় ?
১৬৩৮
২৫। কম্পিউটার অফ করতে কোন
কমান্ডটি ব্যবহৃত হয়?Alt + F4
২৬। কম্পিউটার এর নেটওয়ার্ক কয়
ধরনের ও কি কি?
৩ ধরনের । LAN, MAN and WAN
২৭। একটি অফিসের নিজস্ব
নেটওয়ার্ককে কি বলে?LAN
২৮।  Hardware and Software এর মাঝে
সংযোগ স্থাপনের জন্য যে
প্রোগ্রামটি ব্যবহার করা হয়
সেটির নাম কি?অপারেটিং সিস্টেম
।
২৯। MS word  স্ক্রীনের সবচেয়ে
উপরে যে বারটি থাকে তার নাম
Toolbar/ Title bar / Rular
৩০।   MS word স্ক্রীনের ডানদিকে
যে Scrollbar থাকে তার নাম-Vertical /
Horizontal Scrollbar
৩১ ।Copy এর সটকার্ট কী হল-Ctrl+Z/ Ctrl
+C / Ctrl+V
৩২।  All select  এর সটকার্ট হল-
Ctrl+A / Ctrl+P/ Ctrl+O
৩৩। বিশ্ব ব্যাপী বিস্তৃত
নির্দিষ্ট কয়েকটি কম্পিউটার
সমূহের মধ্যে তৈরী করা
নেটওয়ার্ক হচ্ছে- ইন্টারনেট
৩৪।  কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানে
তৈরী করা অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক
হচ্ছে- ইনট্রানেট
৩৫। কয়েকটি প্রোগ্রমিং
ল্যংগুয়েজ এর নাম উল্লেখ কর-
সি, সি++, ফক্সপ্রো
৩৬। কয়েকটি সার্চ ইঞ্জিন এর নাম-
গুগল, ইয়াহু, বিং, আস্ক
৩৭।  ভাইরাস কি?
ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম
যা অন্যান্য প্রয়োজনীয়
প্রোগ্রামগুলো নষ্ট করে ফেলে
।
৩৮। মাইক্রোসফট অফিস এর কোন
প্রোগ্রামের মাধ্যমে
ডাটাবেজের কাজ করা যায়?
মাইক্রোসফট এক্সেস
৩৯। ইন্টারনেট  প্রথম চালু হয় কত
সালে ?
১৯৬৯ সালে ।
৪০। ENIAC কোন প্রজন্মের
কম্পিউটার? কত সালে এর যাত্রা
শুরু হয়?
প্রথম প্রজন্মের, ১৯৪৬ সালে ।
৪১। কয়েকটি এক্সেনটেনশন লিখুন-
ওয়ার্ড ফাইল- .doc, .docx
এক্সেল ফাইল- .xls, .xlsx
অডিও ফাইল- .mp3, .wma
ভিডিও ফাইল- .dat, .mp4
টেমপ ফাইল- .tmp
৪২। পূর্ণ  নাম লিখুন-
UPS-Uninterrupted Power Supply
BIOS- Basic Input Output System
OS- Operating System
RAM- Random Access Memory
ROM- Read Only Memory
PSU- Power Supply Unit
AGP- Accelerated Graphics Port
CMOS- Complementary
Metal Oxide Semiconductor
CAD- Computer Aided Design
FTP- File Transfer Protocol
HTTP- Hyper Text Transfer Protocol
HTML- Hyper Text Markup Language
XML- Extensible Markup Language
ISP- Internet Service Provider
SEO- Search Engine Optimization
URL- Uniform Resource Locator
WWW- World Wide Web
TCP/IP- Transmission Control Protocol /
Internet Protocol
PDF- Portable Document Format
৪৩। কম্পিউটারের সর্বপ্রথম নাম কি
ছিলো?
এবাকাস ।
সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ।
আশা করি আপনি অনেক কিছু জানেন,
জানার মাঝে কিছু অজানা থাকতেই
পারে ।

সৌরজগত

আমরা যে গ্যালাক্সিতে আমরা
বাস করি তার নাম ছায়াপথ। এই
ছায়াপথে রয়েছে সূর্য ও এর
পরিবার যাকে সৌরজগৎ বলা হয়।
সৌরজগতে রয়েছে সূর্য ও একে
ঘিরে আবর্তনশীল ৮টি গ্রহ। যেসব
বস্তু সূর্যের চারদিকে ঘোরে
তাদের বলা হয় গ্রহ। সূর্যকে ঘিরে
আবর্তনশীল আটটি গ্রহ হলো বুধ, শুক্র,
পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি,
ইউরেনাস ও নেপচুন।

ইন্টারনেটে আয় সম্পর্কে ১০টি ভুল ধারণা

ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন
বর্তমানে অত্যন্ত আলোচিত বিষয়।
বিভিন্ন সুত্র থেকে যারা এবিষয়ে
খোজখবর নিচ্ছেন তারা প্রায়ই কিছু
ভুল ধারনার শিকার হন। একাজে হাত
দেয়ার আগে ভুল ধারনাগুলি সম্পর্কে
জেনে নিন।
খুব সহজে, বিনা পরিশ্রমে ইন্টারনেটে আয় করা যায়
এটা সবচেয়ে বড় ভুল ধারনা। আপনি
আশা করছেন একজন চাকুরীজীবী
কিংবা ব্যবসায়ীর থেকে বেশি আয়
করবেন অথচ পরিশ্রম করবেন না এটা
বাস্তবসম্মত হতে পারে না। ইন্টারনে
টে যে পদ্ধতিতেই আয় করুন না কেন,
আপনাকে যথেস্ট সময় এবং মেধা ব্যয়
করতে হবে।

ইন্টারনেটে আয় করা সকলের পক্ষে সম্ভব না

এটা আরেকটা বড় ভুল ধারনা।
ইন্টারনেটে কাজ বলতে যেমন দক্ষ
প্রোগ্রামিং বুঝায় তেমনি তুলনামুলক
সহজ গ্রাফিক ডিজাইন বুঝায়, কিংবা
আরো সহজ ডাটা এন্ট্রি বুঝায়। যে
কোন শিক্ষিত মানুষের পক্ষে
মানানসই কাজ খুজে নেয়া সম্ভব। তবে
একথা অবশ্যই ঠিক, দক্ষতা যত বেশি
আয়ের সুযোগ তত বেশি। দক্ষতা
যেহেতু বাড়ানো যায় সেহেতু
সুযোগও বাড়ানো যায়।
পেইড-টু-
ক্লি (PTC) সহজে আয়ের কার্যকর পদ্ধতি

পিটিসি হচ্ছে কোন ওয়েবসাইটে
গিয়ে নির্দিষ্ট লিংকে ক্লিক
করবেন আর আপনার নামে টাকা জমা
হবে। বিষয়টি সত্যি। তবে যতটা প্রচার
করা হয় ততটা না। আপনি কতগুলি ক্লিক
করার সুযোগ পাবেন সেটা নির্দিষ্ট
করে দেয়া হয়। কাজ করে টাকা না
পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
ইন্টারনেটে আয় করতে নিজের খরচে ওয়েবসাইট তৈরী করতে হয়
একেবারে বিনামুল্যে ওয়েবসাইট
তৈরী করা যায়। কাজেই ওয়েবসাইট
তৈরী, ডোমেন কিংবা হোষ্টিং
এর খরচ ছাড়াই সব কাজ করা সম্ভব। তবে
নিজস্ব ডোমেন-হোষ্টিং সবসময়ই
ভাল।
ক্রেডিট কার্ড বা পে-
পল একাউন্ট নেই, ফলে একাজ সম্ভব না
কিছুটা সত্যি। ক্রেডিট কার্ড থাকলে
কাজের সুবিধে হয়, পে-পল একাউন্ট
থাকলেও সুবিধে হয়। তারপরও মানুষ
কাজ করছে এগুলি ছাড়াই। অন্য যে
পদ্ধতিগুলি রয়েছে সেগুলি ব্যবহার
করে কাজ করা সম্ভব।
অনেকগুলি সাইটে অনেকগুলি এডসেন্স ব্যবহার করলে আয় বেশি
এডসেন্সে লাভ দেখে অনেকেই
একাধিক এডসেন্স একাউন্ট ব্যবহারে
আগ্রহি হন। এটা ভুল পথ। গুগল কোনএকসময়
সেটা ধরে ফেলবে এবং সবগুলি
একাউন্ট বন্ধ করে দেবে।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) সফটঅয়্যার ব্যবহার করলে দ্রুত আয় বাড়ে
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য
সফটঅয়্যার ব্যবহার করলে অবশ্যই
সাইটের পরিচিতি বাড়ে কিন্তু
এডসেন্সকে টার্গেট করে যদি সেটা
করেন তাহলে গুগল সেটা পছন্দ করে
না। গুগল এমন সাইটে লাভজনক এডসেন্স
বিজ্ঞাপন দেয় সেখানে ভিজিটর
নিজে আগ্রহি হয়ে যায়। ফলে কোন
সাইটে প্রতি ক্লিকে পাওয়া যায়
কয়েক সেন্ট, কোন সাইটে কয়েক
ডলার।

ইন্টারনেটে আয়ের জন্য কোন খরচ নেই
বিনামুল্যের সবসময়ই কিছু খারাপ দিক

থাকে। ভাল হোষ্টিং, প্রয়োজনীয়
সফটঅয়্যার, প্রচারের জন্য এডওয়ার্ডস
বিজ্ঞাপন সবকিছুই ভাল আয়ের সহায়ক।
ইন্টারনেটে আয়ের ক্ষেত্রে ভৌগলিক সীমারেখা নেই
অনেক সেবার ক্ষেত্রেই অনেক
দেশে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
বাংলাদেশে যেমন পে-পল ব্যবহার
করা যায় না, ক্লিক ব্যাংকে
একাউন্ট খোলা যায় না, কোন কোন
সাইটে ঢোকা যায় না ইত্যাদি। কোন
সেবা কোনদেশে প্রযোজ্য আগে
জেনে নেয়াই ভাল।
ইন্টারনেটে কিভাবে কাজ করতে হয় শেখার জন্য কোর্স করা প্রয়োজন
আপনি যখন আয় করতে চান ইন্টারনেট
ব্যবহার করে, তখন শেখার জন্যও
ইন্টারনেট সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন যায়গা।
যে বিষয়ই জানতে চান না কেন,
ইন্টারনেট সার্চ করলে তথ্য পাওয়া
যাবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সদস্য
হোন, ফোরামে যোগ দিন,
সেখানকার বক্তব্যগুলি বোঝার
চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে সেখানে
সমস্যার কথা জানান। কেউ না কেউ
উত্তর দেবেন।

এই পোষ্টটি নতুনদের জন্য উৎসর্গ করা হল।

আজ এ পর্যন্তই, দেখা হবে আগামী
কোন পোস্ট এ। সে পর্যন্ত ভাল থাকুন,
এই কামনাই করি।